top of page

Boxa Dooars Trip Plan (5N 6D Siliguri to Siliguri) by Sayan

Updated: Jun 8, 2019

|| বক্সা ট্রিপ ৫ দিন ৪ রাত ||

|| দিন -১ ||

সকালবেলা গাড়ি পিক করে সোজা দমণপুর এর মাঝেরডাবরি চা বাগান , পাশেই রয়েছে সুন্দর ধাবা , হালকা করে চা সাথে ব্রেকফাস্ট , চা খেতে খেতে ঘুরে নিন পাশে বয়ে যাওয়া ' নোনাই ' নদী । আবার জার্নি ২০ মিনিট এর মধ্যেই পৌঁছে যাবেন ' রাজা ভাত খাওয়া ' , বুক করা থাকবে কালু দা এর হোম স্টে , হোম স্টে টা বক্সা টাইগার রিজার্ভ এর গেট এর কাছে ' ভাত খাওয়া ' নদীর ঠিক পাশে , যেখানে সন্ধি হয়েছিল ভুটান এর রাজার সাথে কুচবিহার এর রাজার। হোম স্টে তে এসে ফ্রেশ হয়ে লাঞ্চ ( নিজের পছন্দ আগে বলে দেবেন ) , ব্যাস এবার কোর সাফারি এর পালা , তরাই অঞ্চলের সব থেকে ডেন্স ফরেস্ট হলো বক্সা, কালু দা এর নিজের সাফারি গাড়ি নিয়ে ৩ টায় রওনা , ফিরতে ফিরতে ৭ টা বাজবে। এসে একটু ফ্রেশ হতে হতে চলে আসবে চা স্ন্যাকস । দু তলার বারান্দায় বসে আড্ডা মারতে মারতে ডিনার । ব্যাস আজ এটুকুই

|| দিন -২ ||

কষ্ট করে একটু ভোরে উঠে , নদী বরাবর হাঁটতে হাঁটতে সোজা বক্সা মিউজিয়াম , এর পাশের ট্রেল গুলো তে , এই জঙ্গল টাকে বলে 'the whisper trail ' । বেশি ভেতর এ না যাওয়াই ভালো , ট্র্যাপ কামেরা থাকে ছবি উঠে গেলে বালাই এর শেষ নেই । একটু হেঁটে জায়গা মেপে আবার হোম স্টে , এত ক্ষণে রবি কাকা গাড়ি নিয়ে হাজির , একসাথে ব্রেকফাস্ট সেরে রওনা ' আমাজন অফ বক্সা ' , ' শিকিয়াঝরা ' এর দিকে , বোট সাফারি বুক করে আস্তে আস্তে নদী দিয়ে ডাল পাতা সরাতে সরাতে অনেক টা ভেতর গেলে কেমন যেনো গা ছম ছম করে , মনে হয় যেন এক বিচ্ছিন্ন জায়গা , কোনো যোগাযোগ নেই , কপাল ভালো থাকলে জল খেতে আসা হাতি বাইসন বা হরিণ এর সাক্ষাৎ দর্শন । ঘণ্টা দেড়েক এর সাফারি শেষ করে , আবার রওনা । রাস্তায় কোথাও একটু লাঞ্চ টা এই দিন করে নিতে হবে , গন্তব্য হয় 'রসিকবিল ' না হয় কুচবিহার । ফিরতে ফিরতে রাত হবে , আগে থেকে কালু দা কে বলে রাখলে আজ রাতে দেশি চিকেন বা বরোলি মাছ খাওয়া যেতে পারে ।



|| দিন -৩ ||

জায়গা টা ছেড়ে যেতে মন না করলেও আজ যেতেই হবে , নতুন জিনিস অপেক্ষা করছে যে , যাই হোক গুছিয়ে নিয়ে আজ চেক আউট , যাবো জয়ন্তী । রাস্তায় পাবো বালা নদী , দাড়িয়ে মন ভরে উপভোগ করা যাবে দৃশ্য খানা । জয়ন্তী তে একদম নদীর বুকে এক খানা হোম স্টে বুক করা থাকবে , রাস্তায় তাদের ফোন করে বলে দিতে হবে গিয়ে ব্রেকফাস্ট এর কথা , ৯ টায় ঢুকে যাবেন জয়ন্তী । ফ্রেশ হয়ে ব্রেকফাস্ট করে , নদীর চর বরাবর হাঁটা , একদিকে নদী উল্টো দিকে সু উচ্চ ভুটান এর পাহাড় শ্রেণী জায়গা টাকে ঢেলে সাজিয়ে রেখেছে , ইচ্ছে করলে নদীর হিম শীতল জলে স্নান করাও যেতে পারে , সারা দিনের সমস্ত ক্লান্তি এক মুহূর্তে দুর করে দেবে এটুকু শিউর। এসে পর লাঞ্চ। নাহ খুব একটা আজ রেস্ট এর টাইম নেই বেরোতে হবে, রবি কাকা রেডি থাকবে বেরোতে হবে , প্রথমে যাবেন - ' চুনিয়া ঝরা সাফারি ' নদী পেরিয়ে আস্তে আস্তে জঙ্গলের গহীন সায়রে ঢুকে পাওয়া যাবে ওয়াচ টাওয়ার , সামনেই সল্ট ফিট , বন্য প্রাণের দেখা পাওয়া মোটামুটি এখানে নিশ্চিত । বেশ খানিক টা সময় এখানে কাটিয়ে আবার জঙ্গল বরাবর আরেকটু ভেতরে ঢুকলেই ভূটিয়া বস্তি , এখানেও একটা বড়ো লেক এর পাশে ওয়্যাচ টাওয়ার , চারিদিকে ময়ূরের আওয়াজে কান ঝালাপালা হবার জোগাড় , লেক এ জল খেতে আসা অনেক পশু পাখি এখানে পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি , বিশেষ করে চিতা । তাই একটু সন্ধ্যে পর্যন্ত এখানেই অপেক্ষা । ফিরতে আজকেও সন্ধ্যে হবে , ফিরে স্ন্যাকস করে নদীর চরে বসে আড্ডা , সব থেকে সুন্দর লাগবে আজকের রাত টা , আকাশের প্রত্যেক টা তারা যেনো আপনাকে দেখবে , এত টাই পরিষ্কার আকাশ এখানে । ফিরে পর ডিনার করে সুখনিদ্রা, আহা।

|| দিন -৪ ||

মানছি ভোর বেলা উঠতে কষ্ট হবে , কিন্তু কষ্ট খানা করলে লাভ বেশি বই ক্ষতি নেই , নদী বরাবর হাঁটতে হাঁটতে একটু এগোলেই পাওয়া যেতে পারে ' নর্থার্ন লাপেইং ' , সাইবেরীয় জল ময়ূর। বড্ড মিষ্টি দেখতে পাখিখানা , মন ভরে যাবে । এরকম সকাল কে না পছন্দ করে , একবুক বাতাস ভরে নিয়ে আবার হোম স্টে তে ফেরা , ব্রেকফাস্ট সেরে বেরোতে হবে , আজ যাবেন ' মহাকাল ' , গাড়ি জিরো পইন্ট পর্যন্ত যাবে , সেখানে থেকে খরস্রোতা জয়ন্তী বরাবর কাঠের সাঁকো পেরিয়ে গেলেই শিব এর মন্দির , বেশ সুন্দর লাগে এখানে থেকে ভুটান পাহাড় এর ভিউ টা । ফিরে এসে লাঞ্চ । হালকা রেস্ট নিয়ে যেতে হবে পুখরী লেক , পাহাড় এর গা বরাবর বেশ খানিক টা হেঁটে গেলেই বিরাট এক খান লেক , পাইনের জঙ্গলের মাঝে লেক । রাস্তার সৌন্দর্য্য সত্যি উপভোগ করার মত , লেক খানা বিখ্যাত ওর ভেতর থাকা মাছের জন্য । যাই হোক সন্ধ্যে গড়িয়ে আসবে ফিরে আবার ডিনার করে ঘুম ।

|| দিন - ৫ ||

আবার পুরাতন কে পেছনে ফেলে নতুনের দিকে রওনা , গন্তব্য জলদাপাড়া অভ্যারণ্যোয়ের রানী চিলাপাতা '। হলং বাংলো এর কাছেই বুক করা থাকবে আমাদের হোম স্টে , পৌঁছে আবার হালকা করে টিফিন করে রেস্ট নিয়ে একটু আশে পাশে ঘুরে আসা যেতে পারে , ট্রেল গুলো অনেক গভীর , এখানেই পাবেন ' ধনেশ পাখির ' দেখা , the great Indian hornbill , sotti এই পাখির দেখা না পেলে মন ভরত না । লাঞ্চ করে আমাদের বুক করা থাকবে সাফারি , বিকেলে সাফারি করে এসে সব গুছিয়ে ফেলতে হবে , কাল যে এই অরণ্য বাস ছেড়ে যেতে হবে লোহার শহরে।


সমগ্র ট্যুর টির জন্য যোগাযোগ করতে পারেন

সায়ন (9123362722)





হাতির দল

(Long Route is not responsible for tour quality and performance, its the sole responsibility of tour arranger. Please comment/ complain (if any) hare for experience with suggested tour operator.)

213 views0 comments

コメント


bottom of page